বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ · সত্য • সাহস • সংবাদ📍 আপনার এলাকা: রাজশাহী
রাজশাহী নিউজ
সর্বশেষরাজশাহী ও বাংলাদেশের সর্বশেষ সংবাদ জানতে সঙ্গে থাকুন

২৯ জুলাইয়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত না হলে আন্দোলনের ঘোষণা সহকারী শিক্ষকদের

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত ১৪ হাজার ৩৮৪ প্রার্থী ২৯ জুলাইয়ের মধ্যে নিয়োগের সিদ্ধান্ত না হলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

২৯ জুলাইয়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত না এলে আন্দোলনের ঘোষণা সুপারিশপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত ১৪ হাজার ৩৮৪ নিয়োগপ্রত্যাশী আবারও আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তাঁরা জানিয়েছেন, ২৯ জুলাইয়ের মধ্যে নিয়োগের বিষয়ে লিখিত বক্তব্য বা নির্দিষ্ট সময়সূচি না দেওয়া হলে তাঁরা রাজপথে নামবেন। আজ সোমবার বিকেলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নিয়োগপ্রত্যাশীরা এ কথা বলেন। তাঁরা জানান, নিয়োগের বিষয়ে বারবার মৌখিক আশ্বাস দিলেও এখনো নিয়োগ সম্পন্ন হয়নি। এ কারণে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হওয়ার পরও তাঁদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনের আগে একটি প্রতিনিধিদল প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। সাক্ষাতের পর নিয়োগপ্রত্যাশীরা জানান, মহাপরিচালক বলেছেন ২৯ জুলাই তিনি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের সঙ্গে বৈঠক করবেন। ওই বৈঠকে নিয়োগের বিষয়টি উপস্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। নিয়োগপ্রত্যাশীরা দাবি করেন, ২৯ জুলাইয়ের মধ্যে লিখিত কোনো বক্তব্য বা নির্দিষ্ট তারিখ না পেলে তাঁরা আবারও রাজপথে আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবেন। তাঁরা আরও বলেন, তাঁরা রাস্তায় আসতে চান না; ক্লাসরুমেই থাকতে চান। তবে তাঁদের অভিযোগ, বর্তমান পরিস্থিতিতে তাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। এর আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। ওই ফল অনুযায়ী ১৪ হাজার ৩৮৪ প্রার্থী নির্বাচিত হন। ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ মার্চের মধ্যে তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা (ডোপ টেস্টসহ) এবং প্রয়োজনীয় সনদ যাচাইয়ের কাজ শেষ হয়। নিয়োগপ্রত্যাশীদের ভাষ্য, নিয়ম অনুযায়ী এরপরই যোগদানের কথা থাকলেও প্রায় ছয় মাস ধরে নিয়োগপ্রক্রিয়ায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি। এদিকে নির্বাচিত প্রার্থীদের পুলিশ ভেরিফিকেশনের কাজ চলার কথা সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সরকার নির্বাচিত প্রার্থীদের নিয়োগপত্র দিলেও তাদের চূড়ান্ত পদায়ন করতে চায় প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণকেন্দ্র (পিটিআই) থেকে প্রশিক্ষণ সফলভাবে শেষ করার পর।