বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ · সত্য • সাহস • সংবাদ📍 আপনার এলাকা: রাজশাহী
রাজশাহী নিউজ
সর্বশেষরাজশাহী ও বাংলাদেশের সর্বশেষ সংবাদ জানতে সঙ্গে থাকুন

রাষ্ট্রপতি পদে জল্পনা, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শীর্ষে

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগের গুঞ্জনে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। এ অবস্থায় বিদেশ সফর সংক্ষিপ্ত করে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ আজ দেশে ফিরছেন। তবে এ নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা নেই।

রাষ্ট্রপতি পদ নিয়ে জোর আলোচনা, শীর্ষে মির্জা ফখরুলের নাম
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সূত্রের বরাতে দাবি করা হচ্ছে, তিনি শিগগিরই পদত্যাগ করতে পারেন। এ পরিস্থিতিতে বিদেশ সফর সংক্ষিপ্ত করে আজ শুক্রবার দেশে ফিরছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, যা জল্পনাকে আরও উসকে দিয়েছে। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির কার্যালয় বা সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। এদিকে নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও কথা চলছে। রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে বিএনপির চার জ্যেষ্ঠ নেতা—মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান এবং নজরুল ইসলাম খানের নাম সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিবেচনায় আনা হচ্ছে। এদের মধ্যে রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, গ্রহণযোগ্যতা ও দীর্ঘ সাংগঠনিক ভূমিকার কারণে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে। বাংলাদেশের সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি স্পিকারের উদ্দেশে স্বাক্ষরযুক্ত পত্র দিয়ে পদত্যাগ করতে পারেন। ৫৪ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে বা তিনি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া ১২৩ অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, চিকিৎসার জন্য গত ১৯ জুলাই ব্যাংকক সফরে যান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। আগামী ২৬ জুলাই দেশে ফেরার কথা থাকলেও সফর সংক্ষিপ্ত করে তিনি আজ শুক্রবার দুপুরে ঢাকায় ফিরছেন। তবে রাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য পদত্যাগ ও নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিষয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা থাকলেও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি বা সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। ফলে বিষয়টি এখনো জল্পনা ও সূত্রভিত্তিক তথ্যের পর্যায়েই রয়েছে।